বিয়ের দিনে কনের সাজে গাড়িতে বসে চাকরির আবেদন, ভাইরাল ভিডিও
বিয়ের দিনে কনের সাজে চাকরির আবেদন, ভাইরাল ভিডিও

বিয়ের দিনে কনের সাজে গাড়িতে বসে চাকরির আবেদন, ভাইরাল ভিডিও

বর্তমান বিশ্বে ক্যারিয়ার ও চাকরি নিয়ে মানুষের সচেতনতা ও চিন্তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই গতিশীল যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারলে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন এবং পেশাগত দায়িত্ব প্রায়শই একে অপরের ওপর চাপিয়ে দেয়। সম্প্রতি এমনই একটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল ভিডিও

নিজের বিয়ের দিনে কনের সাজে সেজেও এক তরুণী চাকরির আবেদন করছেন—এমন একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নজর কেড়েছে এবং ভাইরাল হয়েছে। এই ছোট ভিডিও ক্লিপটি সানচি ও শিবম নামের এক দম্পতির যৌথ অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে।

ভিডিওর বর্ণনা

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কনে তাঁর ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাকে সেজে গাড়ির ভেতরে বসে আছেন। বিয়ের নানা আনুষ্ঠানিকতা ও ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি নিজের ফোন ব্যবহার করে ই–মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় চাকরির আবেদন পাঠাচ্ছেন। এই সংক্ষিপ্ত ভিডিওটি তুলে ধরেছে, বিয়ের দিনের চরম ব্যস্ততা এবং হইচইয়ের মধ্যেও ওই কনে নিজের ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ দিতে কীভাবে কিছুটা সময় বের করে নিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি ভারী গয়না ও বিয়ের পোশাকে ঢাকা থাকলেও পারিপার্শ্বিক অবস্থায় তাঁকে বেশ শান্ত ও স্থির দেখাচ্ছিল। মুঠোফোনের মাধ্যমে চাকরির আবেদন ই–মেইল পাঠানোর সময় তাঁর পুরো মনোযোগ ছিল কেবল সেদিকেই। ভিডিওর ওপর লেখা টেক্সট বা লেখাটি এই মুহূর্তকে আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। সেখানে লেখা ছিল—‘এমনকি আমার বিয়ের দিনেও চাকরির জন্য আবেদন করছি। প্রয়োজনীয় কাজগুলোর অগ্রাধিকার ঠিক রাখছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল—‘দুলহান (কনে) মোড: চালু; হাসল (পরিশ্রমী) মোড; নেভার অফ (কখনোই বন্ধ হয় না)।’ এই সাধারণ অথচ মজার ভিডিওটি বর্তমান প্রজন্মের অনেক তরুণ-তরুণীর কাছে একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকের দিনে অনেক তরুণ-তরুণীকেই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের বড় কোনো উৎসব বা মাইলফলকের পাশাপাশি পেশাগত জীবনের দায়িত্বগুলোকেও সমানতালে সামলাতে হয়।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলেও অনেকেই কনের এই একনিষ্ঠতার প্রশংসা করেছেন। এটি ক্যারিয়ার নিয়ে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।