বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা আবু বাকের মজুমদারের বিয়ে সম্পন্ন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন 'জাতীয় ছাত্রশক্তি'র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার বিয়ে করেছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীতে পারিবারিক পরিসরে ঘরোয়া পরিবেশে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তার সহযোদ্ধা ও সহপাঠীরা উপস্থিত ছিলেন, যারা নতুন পথচলায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
পাত্রী রাফিয়া রেহনুমা হৃদির পরিচয়
পাত্রী রাফিয়া রেহনুমা হৃদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ কুয়েত-মৈত্রী হল সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র সহ-সভাপতি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি সমন্বয়ক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, যা তার রাজনৈতিক সক্রিয়তাকে তুলে ধরে।
আবু বাকের মজুমদারের শিক্ষা ও রাজনৈতিক জীবন
আবু বাকের মজুমদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত আছেন। তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়। শিক্ষাজীবনে তিনি বিসিআইসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলে ওঠেন, কিন্তু পরবর্তীতে রাজনৈতিক কারণে হল ছাড়তে বাধ্য হন, যদিও পরে আবার হলে ফিরে আসেন। এর আগে, তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তার ছাত্র রাজনীতিতে গভীর সম্পৃক্ততা নির্দেশ করে।
সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই সমন্বয়কের এই নতুন পথচলায় সহযোদ্ধা ও সহপাঠীরা উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়াও, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বিয়ের ছবি শেয়ার করে লেখেন, 'বাকেরের বিয়েতে। নবদম্পতির জন্য শুভকামনা।' এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে তাদের সম্পর্কের গুরুত্ব ও সমর্থনকে প্রতিফলিত করে।
এই বিয়ে শুধু একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান নয়, বরং ছাত্র রাজনীতির দুই সক্রিয় নেতার মিলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে তাদের যৌথ কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে। নবদম্পতির জন্য সকলের শুভকামনা ও সমর্থন অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে তাদের রাজনৈতিক ও শিক্ষামূলক প্রচেষ্টায়।



