পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, দেশের পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং সরকার শুধু দেশি নয়, বিদেশি পর্যটকদেরও এই অঞ্চলে আকর্ষণ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।
বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল
রোববার রাতে রাঙ্গামাটিতে রিসোর্ট মালিক সমিতি আয়োজিত পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, বিদেশি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের অবাধ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক প্রভাব
দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদেশি পর্যটকের আগমন বাড়লে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়তা করবে, পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বেকারত্ব হ্রাস করবে এবং বাসিন্দাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
প্রশাসনিক বাধা ও সমাধান
এই অঞ্চলে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কিছু প্রশাসনিক বাধার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
নিরাপত্তা উদ্বেগ ও নেতিবাচক প্রচারণা
পাহাড়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভীতি ও নেতিবাচক প্রচারণা প্রায়শই বিদেশি পর্যটকদের সেখানে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে। তিনি বলেন, 'ভীতি প্রদর্শনের এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তবেই মানুষ পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।'
তিনি ইতিবাচক প্রতিবেদনের মাধ্যমে নেতিবাচক ধারণা দূর করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
কাপ্তাই হ্রদকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
কাপ্তাই হ্রদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশাল জলরাশি একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ এবং সরকার এই হ্রদকে কেন্দ্র করে পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের পরিকল্পনা করছে।
সভায় অংশগ্রহণ
রিসোর্ট মালিক সমিতি রাঙ্গামাটির সভাপতি টোনা দেওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ললিত চন্দ্র চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুমেত চাকমা, জেলা বিএনপি নেতা সুভাষ চাকমা, সদস্য বাপ্পী তঞ্চঙ্গ্যা ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।



