সৌদি আরব আসন্ন হজ মৌসুমের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ চালু করেছে, যার মধ্যে অনিয়মের জন্য ভারী জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ অনুমোদন ছাড়া হজ পালনের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয় বাংলাদেশি নাগরিকদের সৌদির নতুন নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
অনুমোদন ছাড়া হজের শাস্তি
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈধ অনুমতি ছাড়া হজ পালনের চেষ্টায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখেছে সৌদি সরকার। বিদেশি বাসিন্দারা নিয়ম ভাঙলে নির্বাসনের পাশাপাশি ১০ বছর পর্যন্ত প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারেন। অনুমোদন ছাড়া হজ পালনে চেষ্টাকারী ব্যক্তিদের ২০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
সহায়তাকারীদের জরিমানা
অননুমোদিত হজযাত্রীদের পরিবহন, বাসস্থান বা কোনো ধরনের সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তিরাও আইনি পরিণতির মুখোমুখি হবেন। জড়িততার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে জরিমানা ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, প্রযোজ্য আইনের অধীনে এসব কাজে ব্যবহৃত যানবাহন বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
প্রবেশ ও অবস্থানের বিধিনিষেধ
সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি অনুমোদিত হজযাত্রীদের মক্কা ও অন্যান্য পবিত্র স্থানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এই বিধিনিষেধ সৌদি আরবের সকল হজযাত্রী ও বাসিন্দাদের জন্য প্রযোজ্য হবে। জিলকদ মাসের প্রথম দিন থেকে জিলহজ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। এ সময় ভিজিট ভিসাধারী বা বৈধ হজ পারমিটবিহীন ব্যক্তিদের মক্কায় প্রবেশ বা অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হবে না।



