অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর কঠোর বার্তা
অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বার্তা

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর এক বছর পূর্তিতে আবারো পাকিস্তানকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ২৬ পর্যটক নিহত হওয়ার ঘটনার জেরে চালানো ওই সামরিক অভিযানের ভিডিও প্রকাশ করে তারা বলেছে, ‘ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না’।

অপারেশন সিঁদুরের পটভূমি

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ নেতৃত্ব দিয়েছিল ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ)। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হওয়ার পর ভারত এই সামরিক অভিযান চালায়। ভারতের দাবি, ওই অভিযানে পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনা ও সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল।

ভিডিও প্রকাশ ও বার্তা

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ১টা ৫ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে ভারতীয় বিমান বাহিনী। সেখানে অপারেশন সিন্দুরের কিছু মুহূর্ত দেখানো হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটেই পাকিস্তানে প্রথম হামলা চালিয়েছিল ভারত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলতে শোনা যায়, ‘ভারত প্রতিটি সন্ত্রাসী এবং তাদের মদদদাতাদের শনাক্ত করবে, খুঁজে বের করবে এবং শাস্তি দেবে।’ ভিডিওর সঙ্গে ভারতীয় বিমান বাহিনী আরও কিছু বার্তা যুক্ত করে। সেখানে বলা হয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’। বিচার সম্পন্ন হয়েছে। নির্ভুল অভিযানে, স্মৃতিতে চিরস্থায়ী— ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলমান। ভারত কিছু ভোলে না। ভারত কাউকে ক্ষমা করে না।’

ভারতের দাবি ও প্রভাব

ভারতের দাবি, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গত অর্ধশতকে এটিই ছিল দেশটির সবচেয়ে বড় বহু-মাত্রিক সামরিক অভিযান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের নিরাপত্তা ও কৌশলগত অবস্থানকেও এই অভিযান নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভারতের দাবি, বিমান হামলার প্রভাব এতটাই ব্যাপক ছিল যে গত বছরের ৯ মে দুপুরে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। যদিও প্রকৃত লড়াই আরও প্রায় দুই দিন চলেছিল। ভারতের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে পাকিস্তানের পারমাণবিক হুমকিও ভারতকে থামাতে পারেনি। বরং ভারতের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার চাপে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি চাইতে বাধ্য হয়েছিল।