ইরানে হিজাব বিরোধী প্রতিবাদে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।
প্রতিবাদের সূত্রপাত
গত সেপ্টেম্বর মাসে মাহসা আমিনী নামে এক তরুণী হিজাব ঠিকমতো না পরার অভিযোগে নৈতিকতা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর মারা যান। তার মৃত্যুর পর থেকেই ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি
ইরানের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২২ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছেন।
বিক্ষোভকারীরা হিজাব বাধ্যতামূলক করার আইনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা আরও রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতা দাবি করছেন।
সরকারের অবস্থান
ইরান সরকার বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ বলে অভিহিত করেছে এবং বলেছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি বিক্ষোভের জন্য বিদেশি শক্তিকে দায়ী করেছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংহ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইরানে সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে।



