তাকবিরে তাশরিক: বুধ থেকে রোববার ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর পড়ুন
তাকবিরে তাশরিক: বুধ থেকে রোববার ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর পড়ুন

প্রতি বছর হজের মাস জিলহজের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিন মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক একবার পড়া ওয়াজিব বা আবশ্যক আমল। এ বছর ১৪৪৭ হিজরির জিলহজ মাস (২০২৬) উপলক্ষে আগামী ২৭ মে বুধবার ফজরের নামাজ থেকে এই তাকবির পড়া শুরু করতে হবে এবং তা ৩১ মে রোববার আসরের নামাজ পর্যন্ত চলবে।

তাকবিরে তাশরিকের গুরুত্ব

তাকবিরে তাশরিক মূলত তাকবির, তাহলিল ও তাহমিদের এক সম্মিলিত রূপ। এর মাধ্যমে মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর বড়ত্ব, একত্ববাদের স্বীকৃতি ও প্রশংসায় নিজেদের নিয়োজিত রাখে। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যা হজের সময় বিশেষভাবে পালন করা হয়।

কারা পড়বেন?

প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক নারী-পুরুষ, মুকিম-মুসাফির, গ্রামবাসী-শহরবাসী সবার জন্য একাকি কিংবা জামাআতে ফরজ নামাজ আদায়ের পর একবার তাকবিরে তাশরিক আদায় করা ওয়াজিব। তাই নির্ধারিত তারিখে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য এই তাকবির পড়া জরুরি। এ ছাড়া সব সময় তাকবিরে তাশরিক পড়তে থাকা মুস্তাহাব আমল হিসেবে বিবেচিত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তাকবিরে তাশরিকের আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ

আরবি: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ: 'আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; ওয়ালিল্লাহিল হামদ।'

অর্থ: 'আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সব প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।'

পড়ার নিয়ম

প্রত্যেক ওয়াক্তে তাকবিরে তাশরিক একবার পড়া ওয়াজিব, আর তিনবার পড়া মুস্তাহাব। এই পাঁচ দিনে মোট ২৩ ওয়াক্ত নামাজে তাকবিরে তাশরিক পড়তে হয়। এই হুকুম প্রত্যেক আরবি বছরের উল্লেখিত পাঁচ দিনের জন্যই প্রযোজ্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমাপ্তি

আল্লাহতাআলা মুসলিম উম্মাহকে উক্ত ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর বড়ত্ব, একত্ববাদের ঘোষণা ও প্রশংসা করে যথাযথ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ তাআলার ভালোবাসার ভাগিদার হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।