বিচ্ছেদের পর আধ্যাত্মিকতায় মন দিচ্ছেন তামান্না, মন্দিরে ভক্তদের সঙ্গে দেখা
বিচ্ছেদের পর আধ্যাত্মিকতায় মন দিচ্ছেন তামান্না

বিচ্ছেদের পর আধ্যাত্মিকতায় মন দিচ্ছেন তামান্না ভাটিয়া

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া কাজের পাশাপাশি বরাবরই আধ্যাত্মিকতায় মন দেন। তবে অভিনেতা বিজয় ভার্মার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে তিনি আরও বেশি আধ্যাত্মিকতায় মন দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। ২০২৫ সালে তিনি মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন, এবং সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুমালায় শ্রীবেঙ্কটেশ্বর স্বামীর মন্দিরে পৌঁছেছেন।

মন্দিরে তামান্নার উপস্থিতি

হালকা গোলাপি চুড়িদারের ওপরে লাল রঙের জরিপাড়ের উত্তরীয় পরিহিত তামান্নাকে প্রসাধনীহীন মুখ, কপালে ছোট্ট টিপ ও মাথায় খোঁপা সহ দেখা গেছে। তিনি সকাল সকাল মন্দিরে পৌঁছে যান, যেখানে তার ভক্ত-অনুরাগীরা ছবি তুলতে ছুটে আসেন। পূজা সেরে তিনি ভক্তদের সঙ্গে ছবিও তোলেন।

সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তামান্নাকে জোড়হাতে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, অভিনেত্রীকে ঘিরে ধরেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা, যা তার জনপ্রিয়তা ও আধ্যাত্মিক আগ্রহের প্রতিফলন ঘটায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আধ্যাত্মিক বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা

মহাকুম্ভে গিয়ে তামান্না ভাটিয়া ঈশ্বরবিশ্বাস নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, "জীবনে এমন সুযোগ একবারই আসে। তেমনই একটা সুযোগ আমি পেয়েছি। বহু মানুষকে এখানে দেখতে পাচ্ছি। আমার মনে হয়, কষ্ট ও যন্ত্রণা থেকে আমরা সবাই মুক্তি পেতে চাই। সবাই এখানে এসেছেন নিজের কিছু বলার উদ্দেশ্য নিয়ে। তাই এখানে আসার সুযোগ ছাড়া যায় না। সে জন্যই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আসতে পেরে ভালো লাগছে। মানুষের বিশ্বাস ও ভক্তির জন্যই এত বড় একটা সমাগম সম্ভব হচ্ছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিনয় জীবন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তামান্না ভাটিয়া জানিয়েছিলেন, ৩০ বছর বয়স হওয়ার আগেই তিনি অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। 'বাহুবলী'খ্যাত এ অভিনেত্রী বলেন, "আমি তো ভেবেছিলাম ১০ বছর অভিনয় করার পর ছেড়ে দেব। তারপর অন্য কিছু করতে হবে। শুধু তাই নয়, ভেবেছিলাম বিয়ে করে সংসার করব। কিন্তু ৩০ হওয়ার পর যে ধরনের ছবির প্রস্তাব পেতে শুরু করলাম, তাতে এই বয়স বৃদ্ধিকে উদযাপন করছি।"

তামান্নার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তার ব্যক্তিগত জীবনের পরিবর্তন ও পেশাদারি সাফল্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তার ভক্তরা আশা করছেন, তিনি ভবিষ্যতেও তার কাজ ও আধ্যাত্মিকতা উভয় ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জন করবেন।