জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লিবিয়ার সমর্থন
জাতিসংঘ সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে লিবিয়ার সমর্থন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে লিবিয়ার সমর্থন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে লিবিয়া। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত এই সমর্থন ঘোষণা করেন।

উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সমর্থন ঘোষণা

বাংলাদেশে নিযুক্ত লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দুলমুতলিব এস এম সুলিমান বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি লিবিয়ার পূর্ণ সমর্থন আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যক্ত করেন।

এই সমর্থনের জন্য লিবিয়া সরকারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে লিবিয়ার এই সমর্থন দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

এ সময় বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে একযোগে কাজ করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে জাতিসংঘের কাঠামোয় যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সম্পন্ন হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লিবিয়ার এই সমর্থন বাংলাদেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোয় লিবিয়ার এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, যারা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই সমর্থন বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও গতিশীল করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।