মিজিলা টিকা কার্যক্রমে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার সরকারের
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, চলমান মিজিলা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষা দেওয়ায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি মিজিলা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
কোনো শিশুই বাদ পড়বে না: প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী ডা. মুহিত বলেন, "আমাদের সরকার প্রতিটি শিশুর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। কোনো শিশুই বাদ পড়বে না।" তিনি যোগ করেন, মিজিলা রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
তিনি অভিভাবক ও অভিভাবিকদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুরা মিজিলার টিকা নিশ্চিতভাবে গ্রহণ করে। "যদি আমরা এই বয়সসীমার সব শিশুকে টিকা দিতে পারি, তাহলে সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হব। যারা টিকা নিচ্ছেন, তাদেরও উচিত নিজেদের সম্প্রদায়ের অন্যদের এ কাজে উৎসাহিত করা," তিনি বলেন।
দ্রুত ছড়ায় মিজিলা, তবে টিকাই সমাধান
মিজিলার সংক্রামক প্রকৃতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ভাইরাস দ্রুত ছড়ায় কিন্তু ব্যাপক টিকাদানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি জানান, টিকা কার্যক্রম ইতিমধ্যে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় চালু হয়েছে এবং শীঘ্রই ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈজ্ঞানিক তথ্য ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত
ডা. মুহিত বলেন, বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যেখানে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমর্থন রয়েছে। টিকার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
"কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং চলতে থাকবে। সরবরাহে কোনো ফাঁক থাকলে দায়িত্বশীলভাবে তা সমাধান করা হবে," তিনি বলেন, টিকা অভিযানকে সমর্থন করার জন্য মিডিয়া ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।



