বাংলাদেশ সরকার নতুন শিক্ষানীতি ২০২৩ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই নীতিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন নীতির লক্ষ্য হলো শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করা এবং ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার ঘটানো।
প্রাথমিক শিক্ষায় পরিবর্তন
নতুন নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষায় বাধ্যতামূলক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর
মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিক স্তরে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সুবিধা তৈরি করা হবে। এছাড়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে।
ডিজিটাল শিক্ষা
নতুন শিক্ষানীতিতে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠ্যক্রম ও মূল্যায়নের সুবিধা দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এই নীতি বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। সরকার ইতিমধ্যে এ বিষয়ে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছে।



