বাসাবো বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। শুক্রবার (১ মে) শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ও জাতিসংঘ ‘বেশাখ ডে-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে ‘বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি গোকুল ভি. কে.। সভাপতিত্ব করেন শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাশের।
ডিএসসিসি প্রশাসকের বক্তব্য
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, “ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশী। একই ভূখণ্ডে আমরা সমঅধিকার এবং একই সম্ভাবনা নিয়ে বসবাস করি।”
সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট অস্থায়ী জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, “অতীতের পরিকল্পনাগুলোতে শহরের পানি দ্রুত নদীতে নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত আউটলেট রাখা হয়নি। ফলে বর্তমানে এই সমস্যা নিরসনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন।”
জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ
তিনি জানান, বর্তমান সরকার ও ডিএসসিসি জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। এরই অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে নিউমার্কেট ও সোয়ারিঘাট এলাকায় দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।
স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ ও নাগরিক সচেতনতা
স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে ডিএসসিসি নিয়মিত ড্রেন, বক্স কালভার্ট পরিষ্কার এবং খালের প্রবাহ সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “এই উদ্যোগগুলোর সুফল পেতে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। খাল, নদী ও ড্রেনে পলিথিন বা প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার জন্য আমি সবার প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।”
অনুষ্ঠানের অন্যান্য আয়োজন
অনুষ্ঠানে সংঘদান, আলোচনা সভা এবং দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



