পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে সোমবার (১ জুন) থেকে খুলেছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত ও বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। টানা ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। ফলে কয়েকদিনের তুলনায় রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে এবং সরকারি প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়েও ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য।
সচিবালয়ে কর্মীদের উপস্থিতি
সকালে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি দেখা যায়। ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ দফতরে যোগ দিয়ে জমে থাকা ফাইল নিষ্পত্তি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করেন।
কর্মকর্তাদের বক্তব্য
তথ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সোহাগ বলেন, দীর্ঘ ছুটি শেষে সময়মতোই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সচিবালয়ে উপস্থিত হয়েছেন। অন্যান্য সময়ের চেয়ে উপস্থিতিও লক্ষণীয়।
ছুটির জট ও পরিকল্পনা
সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটির কারণে কিছু নথি ও প্রশাসনিক কাজের জট তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব কাজ স্বাভাবিক গতিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি নতুন অর্থবছরের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও বৈঠক শুরু হয়েছে।
সহকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়
সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে দেখা যায়, ছুটির আমেজ কাটিয়ে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগাভাগিতেও সময় কাটাতে দেখা যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলোতে নিয়মিত কার্যক্রম চলমান দেখা যায়।
রাজধানীর সড়ক পরিস্থিতি
অপরদিকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি নগরজীবন। অনেক মানুষ এখনও গ্রামের বাড়ি থেকে ফেরার পথে থাকায় যানজট তুলনামূলক কম রয়েছে। তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে রাজধানী পুরোপুরি কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে বলে ধারণা অনেকের।
সরকারি কার্যক্রমের গতি
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছুটি শেষে সরকারি কার্যক্রম সচল হওয়ার মাধ্যমে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। একইসঙ্গে নাগরিক সেবাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসবে বলে মনে করেন তারা।



