ঢাকার ধামরাই উপজেলার শেওড়াইল পাছাল খালের ওপর লোহার সেতুটি মরিচা পড়ে নড়বড়ে ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন পথচারী, কৃষক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। জনদুর্ভোগ চরমে উঠায় এলাকাবাসী সেতুটি পুনর্নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
সেতুর বর্তমান অবস্থা
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নান্না ইউনিয়নের শেওড়াইল পাছাল খালের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে আছে। অবহেলিত জীর্ণ সেতুটি স্থানীয় আউয়াল মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে হোসেন আলী মাদবরের বাড়ির সামনের সড়ক পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে। গুরুত্বপূর্ণ পারাপার ব্যবস্থা হলেও বর্তমানে এর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। যে কোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও নারীসহ অসংখ্য মানুষ এই সেতু দিয়ে চলাচল করেন। সেতুর খুঁটিগুলো পুরোনো হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে, ফলে পথচারী চলাচলের সময় সেতুটি দুলতে থাকে। লোহার পাটাতনে মরিচা ধরে গেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বেড়ে গেলে দুর্ভোগের ঝুঁকি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করেন।
পুনর্নির্মাণের দাবি
একটি পাকা ও নিরাপদ সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, এটি শুধু একটি সেতু নয়, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ বিষয়ে নান্না ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদ উল্লাহ বলেন, এই জীর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ চলাচল করেন। এটি খালের দুই পাড়ের বাসিন্দাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ। এখানে প্রশস্ত ও টেকসই সেতু নির্মাণ জরুরি। এতে দুই পাশের গ্রামের কৃষকদের আবাদি ফসল পরিবহন সহজ হবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



