চিলমারীতে ঈদের পর প্রথম কার্য দিবসে তালাবদ্ধ সরকারি অফিস, জনসেবায় ব্যাঘাত
চিলমারীতে প্রথম কার্য দিবসে তালাবদ্ধ সরকারি অফিস

চিলমারীতে ঈদের পর প্রথম কার্য দিবসে তালাবদ্ধ সরকারি অফিস, জনসেবায় ব্যাঘাত

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কার্য দিবসে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি শেষে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার অফিস খোলার কথা থাকলেও, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই সীমিত।

তালাবদ্ধ অফিসের তালিকা

সরেজমিনে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার অফিস পাড়ায় পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নিম্নলিখিত অফিসগুলো সম্পূর্ণ তালাবদ্ধ ছিল:

  • উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়
  • মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কার্যালয়
  • তথ্য সেবা কর্মকর্তার কার্যালয়
  • পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনসমূহ

এছাড়াও, কিছু অফিস খোলা থাকলেও সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি ও জনদুর্ভোগ

অফিস খোলা থাকা সত্ত্বেও উপজেলা মৎস্য অফিসার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী এবং ভারপ্রাপ্ত সমাজসেবা অফিসারসহ কয়েকজন কর্মকর্তাকে অফিসে উপস্থিত দেখা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে, দীর্ঘদিনের ছুটির পর সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষরা হয়রানি ও ক্ষোভের শিকার হচ্ছেন।

মহিলাবিষয়ক অফিস, পরিসংখ্যান অফিস এবং যুব উন্নয়ন অফিসে কর্মকর্তা না থাকায় সেবা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে কয়েকজন সেবা গ্রহীতাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, "দীর্ঘদিন ছুটির পর কেন তারা অফিসে আসেননি, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।" তার এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, কর্মকর্তাদের এই অনুপস্থিতি সম্পর্কে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এই ঘটনা চিলমারীতে সরকারি সেবার মান ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলেছে, যা স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে।