ঢাকা উত্তর সিটির বর্ষা মৌসুমে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের রেইনকোট বিতরণ
ঢাকা উত্তর সিটিতে বর্ষায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের রেইনকোট বিতরণ

বর্ষা মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে রেইনকোট বিতরণ করেছে। সোমবার (৪ মে) সকালে গুলশান নগরভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রায় আড়াই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীর হাতে রেইনকোট তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, “আজ আমরা এমন মানুষদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান করছি, যারা ভোর থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করে শহর পরিষ্কার রাখেন। তাদের শ্রমেই নগরবাসী পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পায়।”

তিনি বলেন, “গত ঈদে প্রধানমন্ত্রী আপনাদের কথা বিবেচনা করে আলাদা বোনাসের ব্যবস্থা করেছেন। এটি আপনাদের কাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি নিদর্শন।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রশাসক আরও বলেন, “আপনাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও আন্তরিকতা আছে। আপনারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন, আমরা আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবো। নগরবাসী আপনাদের কাজে সন্তুষ্ট হলে তবেই আমরা নিজেদের সফল মনে করবো।”

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার বক্তব্য

অনুষ্ঠানে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর হুমায়ুন কবীর বলেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। এর আগে শীতের কাপড়, মাস্ক ও গামবুট বিতরণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের কর্মীদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সুরক্ষার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন আমাদের সবার দায়িত্ব ‘ক্লিন ঢাকা’ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া। এ জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার প্রয়োজন।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রতিক্রিয়া

পরিচ্ছন্নতাকর্মী আয়েশা খাতুন নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বর্ষার শুরুতেই রেইনকোট পেয়েছি, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের সুবিধা–অসুবিধার দিকে আপনারা খেয়াল রাখেন। আমরাও আপনাদের পাশে থেকে শহরের জন্য কাজ করতে চাই।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তা

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান সহ ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।