কৃষিজমি রক্ষায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে সরকারি জমি ব্যবহারের নির্দেশ
কৃষিজমি রক্ষায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি জমি ব্যবহারের নির্দেশ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে কৃষি জমি অনেক কমে আসছে, যা দেশের জন্য ভালো নয়। এ কারণে আমরা চেষ্টা করবো যাতে কোনও প্রতিষ্ঠান করতে গিয়ে আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত কৃষিজমি নষ্ট না করি।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নির্ধারণ

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নার্সিং কলেজ, ইপিজেডসহ বিএনপি সরকার যে নতুন উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে সেখানে কৃষিজমি নষ্ট না করে সম্ভাব্য পড়ে থাকা সরকারি জমি অধিগ্রহণ করে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে জায়গা নির্ধারণে সদর উপজেলার জামালপুর, গড়েয়া, নারগুনসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভাতারমারি ইক্ষু খামারে ১০০ একর জমির প্রস্তাবনায় তিনি প্রাথমিক মতামত দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কৃষিজমি রক্ষায় ভার্টিক্যাল নির্মাণের পরামর্শ

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি সবসময় বলেছি আমরা যতটা পারি কৃষিজমিকে নষ্ট করবো না। আমরা ওপরে যাবার চেষ্টা করবো, তবে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যাতে করে কৃষির তেমন ক্ষতি না হয়।

তিনি এ প্রসঙ্গে পৃথিবীর বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উদাহরণ টেনে বলেন, ভার্টিক্যালি এসব প্রতিষ্ঠান আধুনিক বিশ্বে গড়ে ওঠার যে দৃষ্টান্ত তা থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি।

উন্নয়ন কাজে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে দাঁড়িয়ে যথাযথ আইন ও নিয়ম মেনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। যেমন আমি পরিদর্শনে এসেছি, কিন্তু এ বিষয়ে চূড়ান্ত করার আমি কেউ নই। সেটা যথাযথ দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার, আমি কেবল মতামত দিতে পারি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিদর্শনে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. ইস্রাফিল শাহীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি জেলার আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজের স্থান পরিদর্শন করেন।