জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন: ১৩টির মধ্যে ৯টি জামায়াতের, ৩টি শরিকদের
জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যে নারী আসন বণ্টন

জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন: ১৩টির মধ্যে ৯টি জামায়াতের, ৩টি শরিকদের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রাপ্ত ৭৭ আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন পাবে ১৩টি। প্রাপ্ত আসন অনুপাতে ৬৮টি আসনের বিপরীতে এককভাবে ১২টি সংরক্ষিত আসন পাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে জামায়াত নিচ্ছে ৯টি আসন। বাকি ৩টি আসন জোটের শরিকদের ছেড়ে দিচ্ছে।

শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন

এই ৩টি আসন পাচ্ছে এনসিপি, জাগপা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির অন্যতম সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল হালিম যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চূড়ান্ত তালিকা ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে জামায়াত ও ১১ দলের নেতৃস্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এ তালিকায় দলীয় নেত্রীদের পাশাপাশি বাইরের ৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে সূত্র।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মনোনীত নারীদের যোগ্যতা ও প্রক্রিয়া

১১ দলের মনোনীত ১৩ নারীই উচ্চশিক্ষিত এবং মেধাবী বলে জানা গেছে। তাদের যেমন রয়েছে সাংগঠনিক যোগ্যতা তেমনি বাকপটুতা। বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার পাশাপাশি সংবিধান, আইন ও চলমান রাজনীতি সম্পর্কে তারা সম্যক জ্ঞানের অধিকারী।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে দলের অভ্যন্তরে আলোচনা ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। কোনো নেতার কোটা রাখা হয়নি।

বাদ পড়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী আগে এমপি ছিলেন, তারপরও তাকে এবার বাদ দেওয়া হয়েছে। যোগ্যতার বিচারে মীর কাসেম আলির মেয়ে সুমাইয়ার নাম এলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারণ তার ভাই ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমান বর্তমানে সংসদ-সদস্য হিসাবে আছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সিদ্ধান্তগুলো দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১১ দলীয় ঐক্যের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক জোটে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।