নেত্রকোনায় মানববন্ধন ও মিছিল, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
নেত্রকোনায় মানববন্ধন ও মিছিল, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নেত্রকোনা শহরে মানববন্ধন ও ঝটিকা মিছিল করেছেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় পুলিশ নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ আল রাকিবসহ দুজনকে আটক করে। পরে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়।

ছাত্রলীগের মানববন্ধন ও ঝটিকা মিছিলের একটি ভিডিও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতা-কর্মীর ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটকের নিন্দা ও তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

১ মিনিট ২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ১০ থেকে ১৫ জন মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন। সৈয়দ আল রাকিব ছাড়া অন্য নেতা-কর্মীদের মুখে কালো মাস্ক ছিল, কারও মাথায় হেলমেট ছিল। ভিডিওতে মানববন্ধনের ব্যানারে লেখা ছিল ‘দেশবিরোধী মার্কিন চুক্তি বাতিল, বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন, কৃত্রিম জ্বালানিসংকট ও অব্যবস্থাপনা, লুটপাট, গণতন্ত্রহীনতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও মিছিল’। মানববন্ধন শেষ করে মিছিল শুরু হয়।

পরে পুলিশ প্রেসক্লাব থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে বকুলতলা এলাকা থেকে সৈয়দ আল রাকিব ও মো. সাব্বির নামের দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকমল হোসেন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। মামলায় সৈয়দ আল রাকিবকে প্রধান করে ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সৈয়দ আল রাকিবের স্বজন ও জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা অভিযোগ করেন, আটকের পর দুপুরে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবকে নিজের কক্ষে নিয়ে মারধর করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আল মামুন সরকার বলেন, দায়ের করার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে আসামি দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সৈয়দ আল রাকিবকে মারধরের ঘটনা জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘এটা আমার নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। একটা ফুলের টুক্কাও দেওয়া হয়নি।’