বিএনপি ও সরকারের নেতাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, এনসিপি নেতা পিটুনির শিকার
বিএনপি ও সরকারের নেতাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, এনসিপি নেতা পিটুনি

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে ‘হত্যার হুমকি’সহ বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক আনোয়ার হোসেনকে পিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে এলাকাবাসী তাকে রায়পুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

ঘটনার বিবরণ

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৩০ মে) রাত ৮টায় রায়পুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ী বাজার এলাকায়। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে (৩১ মে) সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা গ্রামের শফিক আহমদের ছেলে রুহুল আমিন (৪৯) বাদী হয়ে এনসিপি নেতা আনোয়ারসহ (৩৮) একই এলাকার চার জনকে আসামি করে রায়পুর থানায় মামলা করেছেন।

পিটুনির শিকার আনোয়ার হোসেন

পিটুনির শিকার আনোয়ার হোসেন রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরের সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ী বাজার এলাকার ক্ষুব্ধ কিছু মানুষ এনসিপির কেন্দ্রীয় সংঘটক আনোয়ার হোসেনকে আটক করে পিটুনি দেয়। এ সময় আহত আনোয়ারকে বলতে শোনা যায়, ‘রায়পুরের এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার গুণ্ডা বাহিনী আমার ওপর হামলা করেছে। আপনারা সবাই দেখছেন। এর বিচার হতে হবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের ভূমিকা

এ ঘটনার সংবাদ শুনে বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ আনোয়ারকে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে আনোয়ার হোসেন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, আনোয়ার স্থানীয় আওয়ামী লীগের সময় দলটির দাপুটে কর্মী ছিলেন। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি এনসিপিতে যোগ দেন। পরে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) নোংরা বক্তব্য রাখেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার প্রস্তুতি

আনোয়ার থানা হেফাজতে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, ‘আনোয়ার নিজেকে এনসিপি নেতা পরিচয় দেন। খবর পেয়ে আমরা আনোয়ারকে জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। রুহুল আমিন নামের এক লোক আনোয়ারের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তা রেকর্ডের পর তাকে দুপুরে আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’