রাঙামাটিতে ছাত্রদলের কার্যালয়ে তালা, কমিটি বাতিলের দাবি
রাঙামাটিতে ছাত্রদলের কার্যালয়ে তালা, কমিটি বাতিলের দাবি

রাঙামাটিতে ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে এবার দলীয় কার্যালয়ের তালা দিয়েছে সংগঠনটির একাংশের নেতা-কর্মীরা। গতকাল বুধবার রাতে এ তালা দেওয়া হয়। আজ দুপুর ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংগঠনটির কার্যালয়ে তালা ঝুলছিল।

তালা দেওয়ার পরে গতকাল রাতেই কার্যালয়টির সামনে বিক্ষোভ করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁরা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, কমিটি বাতিল না করা পর্যন্ত কার্যালয়ে তালা ঝুলবে।

ছাত্রদলের জেলা কার্যালয়ের অবস্থান শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় একটি ভবনে। ওই ভবনে বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী অন্য সংগঠনেরও কার্যালয় রয়েছে। আজ সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রদলের কার্যালয়ে দুটি তালা ঝুলছে। একটি দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা আর আরেকটি আগে থেকেই এতে ছিল। তবে সকালে গিয়ে কার্যালয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাঙামাটি ছাত্রদলের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয় চলতি ২ মে। ওই দিন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছিরউদ্দিনের সইয়ে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মো. অলি আহাদকে সভাপতি ও নাঈমুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

এ কমিটি ঘোষণার পরের দিন নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন দলটির একাংশের নেতা–কর্মীরা। ৪ মে কমিটিতে থাকা অংশ ও পদবঞ্চিত নেতা–কর্মীরা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দিলে পরিস্থিতি ‘উত্তপ্ত’ হয়। একপর্যায়ে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। ১৪৪ ধারা ঘোষণার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তালা দেওয়া নেতা-কর্মীদের একজন মো. পারভেজ হোসেন। তিনি সদ্য ঘোষিত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। জানতে চাইলে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধান না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত চলমান জেলা ছাত্রদল কমিটির কার্যক্রম বন্ধ ও স্থগিত রাখার কথা ছিল। তবে নির্দেশ অমান্য করে কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপজেলায় কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই তাঁরা বিক্ষোভ ও কার্যালয়ে তালা লাগানোর কর্মসূচি নিয়েছেন।

জানতে চাইলে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. অলি আহাদ বলেন, ‘সাংগঠনিক কাজে আমি বাঘাইছড়ি উপজেলায় রয়েছি। কার্যালয়ে আগে থেকেই তালা দেওয়া ছিল। আরেকটি তালা দেওয়ার বিষয় আমি জানি না। কমিটিতে অনেকেই পদবঞ্চিত হয়েছেন। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আলোচনা চলছে।’