নাটোরে সাংবাদিক হেনস্তা: বিএনপি-যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
নাটোরে সাংবাদিক হেনস্তা: বিএনপি-যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

নাটোরের নলডাঙ্গায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাদের দ্বারা বাধা, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নলডাঙ্গার বারনই নদীর সেতুর উপর এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ দায়ের

এ ঘটনায় দুপুরে এনটিভি অনলাইন ও দৈনিক দিনকালের নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মো. রানা আহমেদ বাদী হয়ে বিএনপির দুই নেতা ও ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঘটনার বিবরণ

নলডাঙ্গা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৈনিক দিনকাল ও এনটিভি অনলাইন নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মো. রানা আহমেদ এবং মানবজমিন পত্রিকার নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা নলডাঙ্গা পৌরসভার ভবন নির্মাণের জন্য ভরাট কাজে মাটি আনার সময় অনেক মাটি নলডাঙ্গা বারনই সেতুর ঢালে পড়ে কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলে জনদুর্ভোগ হওয়ার দৃশ্য ভিডিও করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নলডাঙ্গা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বাচ্চু সরদার ও তার সহযোগী মাধনগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. টিটু সরদার ও তার বড় ভাই মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিকুজ্জামান বিদ্যুৎ তাদের কাজে বাধা ও হুমকি দেন।

ভোরের কাগজ পত্রিকার সাংবাদিক মো. রাশেদ আলম এ সময় হুমকির ভিডিও ধারণ করলে এসব নেতারা জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের হেনস্তা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, সংবাদচিত্র ধারণ করার সময় হঠাৎ স্থানীয় বিএনপি নেতা বাচ্চু সরদারের নেতৃত্বে মাধনগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. টিটু সরদার ও তার বড় ভাই মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিকুজ্জামান বিদ্যুৎ তাদের ওপর চড়াও হন। তারা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করেন এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেন।

থানার বক্তব্য

নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।