সেনানিবাসে গিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সেনানিবাসে গিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ঢাকা সেনানিবাসে সেনা সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। বহু বছর পর সেনানিবাসে গিয়ে নিজের পুরোনো স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

প্রীতিভোজে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী পুরোনো স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগতাড়িত। সেনানিবাসের এ পরিবেশ, শৃঙ্খলা, সহযোদ্ধাসুলভ বন্ধন এবং সেনা সদস্যদের আন্তরিকতা তার কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

সেনাবাহিনীর প্রশংসা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য তাকে গভীরভাবে গর্বিত করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানের অন্যান্য কর্মসূচি

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিক লাইন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরে তিনি অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সৈনিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। কর্মসূচির শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী সেনা সদস্যদের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেনা সদস্যদের মনোবলে প্রভাব

প্রধানমন্ত্রীর এ অংশগ্রহণ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও গৌরবের সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ঈদের দিনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি সেনা সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার প্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা যায়।

উপস্থিত অন্যান্যরা

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।