ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ১৫ কিলোমিটার অংশে মঙ্গলবার যান চলাচল ধীরগতির ছিল। যমুনা সেতুতে যানবাহন ভাঙন ও সড়ক দুর্ঘটনার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সকাল থেকেই ধীরগতি
যমুনা সেতু এলাকা থেকে পুঙ্গলি পর্যন্ত মঙ্গলবার সকাল থেকে যান চলাচল ধীরগতির ছিল। এতে ঈদযাত্রীদের, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে যানজট কমাতে তারা কাজ করছে।
ঝড়ের পর যানবাহন ভাঙন
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঝড়ের পর সেতুতে বেশ কয়েকটি যানবাহন ভেঙে পড়ে এবং একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে মহাসড়কে যান চলাচল ধীরগতি হয়।
তিনি জানান, সোমবার মধ্যরাত থেকে সেতুতে ১১টি যানবাহন ভেঙে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে যমুনা সেতুর উত্তরমুখী লেনে চারটি যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
ভাঙা যানবাহন সরাতে রেকার ব্যবহার করা হচ্ছে, যা যান চলাচল আরও ধীর করে দিচ্ছে বলে তিনি যোগ করেন।
পুলিশের তৎপরতা
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ আউটপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সারি জানান, সেতুতে যানবাহন ভাঙন ও দুর্ঘটনার কারণে পুঙ্গলি এলাকা পর্যন্ত যান চলাচল ধীরগতির ছিল।
তিনি বলেন, “মহাসড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল ফিরিয়ে আনতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।”



