শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শেরপুর-৩ আসনে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করেছে। এই পদক্ষেপটি সীমান্তবর্তী এলাকায় নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

বিজিবির তত্ত্বাবধানে নির্বাচনী দায়িত্ব

শনিবার (৪ এপ্রিল) ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে নির্বাচনের আগের ৫ দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরবর্তী ২ দিন অর্থাৎ আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত টহল পরিচালনাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

বেইজ ক্যাম্প স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু

বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টরের তত্ত্বাবধানে এবং ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য শেরপুর জেলার শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। এই ক্যাম্পগুলো থেকে তারা নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

শেরপুর-৩ আসনটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির উপস্থিতি বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা নির্বাচনি এলাকায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে ভূমিকা রাখবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্বাচন স্থগিত ও পুনঃনির্ধারণের পটভূমি

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনটি শেরপুর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তটি নির্বাচনী পরিবেশকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় জনগণ ও প্রার্থীদের মধ্যে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।