নওগাঁ-৬ আসনে জামানত হারাচ্ছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ তিন প্রার্থী
নওগাঁ-৬ আসনে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ তিন প্রার্থীর জামানত হারানো

নওগাঁ-৬ আসনে জামানত হারাচ্ছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ তিন প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরসহ তিনজন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ আসনের ১১৫টি ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাত দেড়টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকার প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এবার, সংসদ সদস্য নির্বাচনে একজন প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আট শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল

ফলাফল ঘোষণার পর জানা যায়, নওগাঁ-৬ আসনে বিভিন্ন দলীয় ও স্বতন্ত্রসহ ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে তিনজন প্রার্থীই জামানত রক্ষা করার মতো ভোট পাননি।

  • সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৯ হাজার ৬৩৮ ভোট।
  • বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান রতন মোল্লা (হাতি প্রতীক) পেয়েছেন ৫৫৫ ভোট।
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৩৩ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৬ জন। এর মধ্যে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৩২ হাজার ৯২৩ টি। নিয়ম অনুযায়ী ৮ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তারা তিনজন জামানত হারাচ্ছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু (ধানের শীষ প্রতীক) ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খবিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৯ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, জামানত হারানো প্রার্থীদের জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ বা পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া নেই। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি স্বাভাবিক অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।