কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভোটের আগে ১০টি হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়
কুষ্টিয়ায় ভোটের আগে ১০টি হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভোটের আগে ১০টি হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় আগামীকালের ভোটগ্রহণের ঠিক আগের দিন একটি নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের অদূরে ১০টি হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে একটি নেপিয়ার ঘাসক্ষেত থেকে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই বিদ্যালয়টি আগামীকালের ভোটের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হবে। দুপুরের দিকে রাজমিস্ত্রি ফরিদ খান ঘাসক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন।

সন্দেহবশত তিনি স্থানীয়দের বিষয়টি জানান, যার ফলে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে লাল টেপে মোড়ানো ১০টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সেগুলো ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফরিদ খান বলেন, "আমি ঘাসক্ষেতে গিয়ে হঠাৎ মুখ বাঁধা একটি ব্যাগ দেখে ভয় পেয়ে যাই। পরে স্থানীয়দের জানালে আরও একটি ব্যাগ পাওয়া যায়। এরপর আমরা দ্রুত প্রশাসনকে খবর দিই।" এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, এবং স্থানীয়রা ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, "খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বোমা সদৃশ বস্তুগুলো উদ্ধার করে নিরাপদে সরানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তবে সেনাবাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটারদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

এই ঘটনা ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, এবং কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে বলে মনে করা হচ্ছে।