টাঙ্গাইলে মহাসড়কে গবাদিপশু ও তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি: পাঁচজন গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে মহাসড়কে ডাকাতি: পাঁচজন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে মহাসড়কে দুটি পৃথক ডাকাতি: পাঁচজন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের সদর ও মির্জাপুর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গবাদিপশুবাহী একটি ট্রাক ও একটি তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর সংঘটিত দুটি পৃথক ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজা সিদ্দিকী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:

  • ইসমাইল হোসেন (২৯), পিতা তামেজ উদ্দিন, মাণিকগঞ্জের খৈলাছরের বাসিন্দা।
  • মনির হোসেন (২৫), পিতা গিয়াস উদ্দিন, ঢাকার নবাবগঞ্জের বাসিন্দা।
  • খায়রুদ্দিন (৪০), পিতা মৃত আবদুস সুবহান, নোয়াখালীর বাসিন্দা।
  • রফিকুল ইসলাম, পিতা আবদুল করিম শেখ, লালমনিরহাটের বাসিন্দা।
  • ইমরান হোসেন (৩০), পিতা রমজান আলী, ময়মনসিংহের বাসিন্দা।

প্রথম ডাকাতির বিস্তারিত

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে একদল ডাকাত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর এলাকায় একটি গবাদিপশুবাহী ট্রাকের ওপর হামলা চালায়। তারা ট্রাকের চালক ও সহকারীকে মারধর করে ট্রাকটি নিয়ে পলায়ন করে। ডাকাতরা পরে চালক ও সহকারীকে গাজীপুরের একটি ঝোপঝাড়ে ফেলে রেখে যায়। ঘটনাস্থল থেকে নগদ অর্থও লুট করে নেয় তারা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিতীয় ডাকাতির ঘটনা

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে মির্জাপুর উপজেলার একই মহাসড়কে একটি তেলবাহী ট্রাকের ওপর ডাকাতি চালানো হয়। ডাকাতরা ট্রাকটি থামিয়ে চালক ও সহকারীকে বেঁধে ফেলে এবং ট্রাক থেকে ৬০ ড্রাম তেল লুট করে নিয়ে যায়। এই দুটি ঘটনাই পুলিশের তদন্তে ধরা পড়ে এবং গ্রেপ্তার কার্যক্রম চালানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও পদক্ষেপ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজা সিদ্দিকী জানান, মহাসড়কে এই ধরনের ডাকাতি ঘটনা উদ্বেগজনক। পুলিশ ঘটনাগুলো তদন্ত করে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নজরদারি বাড়ানো হবে।

টাঙ্গাইল জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।