নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশ হামলায় নতুন করে তিনজন গ্রেপ্তার, মোট আটজন আটক
আড়াইহাজারে পুলিশ হামলায় নতুন গ্রেপ্তার, মোট আটজন আটক

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশ হামলায় নতুন গ্রেপ্তার: মোট আটজন আটক

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাতগ্রামের রসুলপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ নিয়ে মোট আটজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ, যা ঘটনার দিন পাঁচজন গ্রেপ্তারের পর দ্বিতীয় দফার অভিযান হিসেবে চিহ্নিত।

নতুন গ্রেপ্তারদের পরিচয়

নতুন করে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রসুলপুর এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে মো. আলাউদ্দিন, সালাম মিয়ার ছেলে মো. আফসার এবং জামান মিয়ার ছেলে হৃদয়। আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, 'সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দু দফায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।'

ঘটনার পটভূমি

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে আসমা বেগম নামে ওয়ারেন্টভুক্ত এক নারী আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে আসামির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের অন্তত ৬ সদস্য আহত হন, যা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি গুরুতর ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের অবরুদ্ধ অবস্থা ও উদ্ধার

আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার বলেন, 'ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আসমাকে আটকের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তার আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে ঘেরাও করে রাখে। প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশ অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।' তিনি আরও জানান, ঘটনার একপর্যায়ে আসামি আসমাকে তার স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিবারের দাবি ও চিকিৎসা

পরিবারের দাবি অনুযায়ী, অসুস্থ হওয়ায় আসমা বেগমকে মাধবদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আরও সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।