ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১ ঘণ্টা কর্মবিরতি
ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে কর্মবিরতি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ৭ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার এক ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগ তাদের অন্যতম দাবি।

কর্মবিরতির সময়সূচি

জুন ৪ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখায় ব্যাংকিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। 'ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম' নামক সংগঠনের ডাকা এই কর্মসূচিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

কর্মসূচির বিবরণ

জানা গেছে, কর্মসূচির সময় লেনদেনসহ ব্যাংকের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল অফিস, বাসাবো, শাহজাহানপুর, পল্টন, রমনা, বংশাল, নবাবপুর, ইসলামপুর, সদরঘাট, কামরাঙ্গীরচর, যাত্রাবাড়ী, ডানিয়া, দয়াগঞ্জ, চকবাজার, মৌলভীবাজার, পanthপথ, বাংলামটর ও গেন্ডারিয়াসহ বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যদিও সে সময় ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ ছিল, তবুও সাধারণ গ্রাহকের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

দাবি সম্পর্কে বক্তব্য

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নূর নবী মাণিক জানান, সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণে এক ঘণ্টার কলমবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাত দফা দাবি

সংগঠনের উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল, ব্যাংকের বোর্ড থেকে লুটপাটে জড়িতদের অপসারণ, ব্যাংক রিজোলিউশন আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিল, এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে allegedly আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধার, ভবিষ্যতে এস আলম গ্রুপকে কোনো ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসা থেকে বিরত রাখা এবং ব্যাংকিং খাতে অনিয়মে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা।

মাণিক অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলমকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ ও ব্যাংকের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, দাবি বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।