মন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের শপথে বিএনপি এলাকায় মিষ্টি বিতরণ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব
মন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের শপথে বিএনপি এলাকায় মিষ্টি বিতরণ

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাখাওয়াত হোসেন, বিএনপি এলাকায় মিষ্টি বিতরণ

নবগঠিত মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন নরসিংদী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। মন্ত্রী হিসেবে তাঁর শপথ গ্রহণের খবরে গতকাল মঙ্গলবার এলাকার বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর প্রথম মন্ত্রিত্ব

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বিএনপি থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু এবারই প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেলেন। তিনি নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর জন্ম নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামে, পিতা সরদার আসমত আলী।

ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করা এই নেতা নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ছিলেন। ১৯৯১ সালে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবার প্রার্থী হয়েই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন, কিন্তু ওই বছরের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সেনাপ্রধান নুর উদ্দিন খানের কাছে পরাজিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নুর উদ্দিন খানকে পরাজিত করে তিনি আবার সংসদ সদস্য হন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সরদার সাখাওয়াত হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এলাকায় খুশির জোয়ার

মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার বলেন, "সরদার সাখাওয়াত হোসেনের মন্ত্রিত্ব পাওয়ার খবরে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার ঘরে ঘরে খুশির জোয়ার বইছে। সবাই বলছেন, তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় এই জনপদের চিত্র পাল্টে যাবে—এমন আশা তাঁদের।"

এই নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপির একজন প্রবীণ নেতা প্রথমবারের মতো মন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন, যা দলীয় কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।