অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ প্রকাশ: রিজওয়ানার সম্পদ কমেছে, খলিলুরের বিদেশে দায়
উপদেষ্টাদের সম্পদ প্রকাশ: রিজওয়ানার কমেছে, খলিলুরের দায়

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ প্রকাশ: রিজওয়ানার সম্পদ কমেছে, খলিলুরের বিদেশে দায়

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার সম্পদের তথ্য প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। এতে দেখা যায়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সম্পদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের বিদেশে দায়ের পরিমাণ প্রকাশিত হয়েছে।

রিজওয়ানা হাসানের সম্পদ হ্রাসের বিশদ বিবরণ

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ৩০ জুনের তুলনায় ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রিজওয়ানা হাসানের প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালে তার আর্থিক সম্পদ ছিল ১ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং নন-ফিন্যান্সিয়াল সম্পদ ছিল ৩১ লাখ ৪ হাজার ১০৭ টাকা। দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫ টাকা।

২০২৫ সালে তার আর্থিক সম্পদ কমে হয়েছে ৮১ লাখ ৬৮ হাজার ৮১৭ টাকা, নন-ফিন্যান্সিয়াল সম্পদ অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশের বাইরে সম্পদ শূন্য থাকায় মোট সম্পদ এখন ১ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ টাকা। এছাড়া, ২০২৪ সালে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় ছিল ১০ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫২ টাকা, যা কমে ২০২৫ সালে হয়েছে ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৮৮৭ টাকা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খলিলুর রহমানের বিদেশে দায়ের তথ্য

ড. খলিলুর রহমানের আর্থিক সম্পদ ২০২৪ সালে ছিল ২০ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালে বেড়ে হয়েছে ২২ লাখ টাকা। তার নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদের হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে, বিদেশে তার প্রায় ২২ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে, যা মার্কিন ডলারে আগের মতোই আছে। একইসঙ্গে, ২০২৪ সালে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় ছিল ১২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা ২০২৫ সালে কমে হয়েছে ১২ লাখ মার্কিন ডলার।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী সরকারের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেননি বলে মন্ত্রিপরিষদের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রকাশনাটি অন্তর্বর্তী সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।