নিউইয়র্কে একই পরিবারের ৬ জনের রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগে grandmother
নিউইয়র্কে একই পরিবারের ৬ জনের রহস্যজনক মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মেকানিকভিল শহরে একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে একই পরিবারের ছয় সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন—৬৪ বছর বয়সি অ্যামি স্টেডম্যান, তার ৪৪ বছর বয়সি মেয়ে সারাহ মায়ার্স এবং সারাহর চার সন্তান। খবর এনবিসি নিউজের।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অ্যামি স্টেডম্যানই মেয়ে ও চার নাতি-নাতনিকে হত্যা করে পরে নিজেও মারা গেছেন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় এক প্রতিবেশী স্টেডম্যানকে দীর্ঘদিন না দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ জানান। পরে পুলিশ তাদের অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শিশুদের পরিচয়

নিহত চার শিশু হলেন— হার্পার হারমন (১৩), হাডসন হারমন (১১) এবং যমজ গ্যাভিন ও গ্রেসলিন হারমন (১০)। পুলিশ প্রধান উইলিয়াম র‍্যাবিট জানান, অ্যাপার্টমেন্টটি অ্যামি স্টেডম্যানের ছিল। আর তার মেয়ে সারাহ ও চার সন্তান একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মৃত্যুর সময় ও কারণ

তদন্তকারীদের ধারণা, মরদেহগুলো বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে পড়ে ছিল। মরদেহের অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রথমে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বুধবার (২৪ জুন) ময়নাতদন্তের পর নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, শিশুদের একজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ প্রেসক্রিপশন ও সাধারণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষপ্রয়োগেরও ইঙ্গিত মিলেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তের অগ্রগতি

তবে ছয়জনের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও টক্সিকোলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার হওয়া একটি হাতে লেখা চিরকুটে অ্যামি স্টেডম্যানের সম্পৃক্ততার জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ প্রধান। তবে তদন্তের স্বার্থে চিরকুটের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বাইরের কোনো ব্যক্তির জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

পরিবারের অন্যান্য সদস্য

এদিকে নিহত শিশুদের বাবা বর্তমানে উটাহ অঙ্গরাজ্যে থাকেন। পুলিশ জানিয়েছে, চার শিশুই বাড়িতে পড়াশোনা করত এবং তারা কোনো সরকারি স্কুলে যেত না।