কুমিল্লায় স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ: আরও দুইজন গ্রেফতার
কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় এক গৃহবধূকে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা ওই দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এর আগে ইতিমধ্যে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলার ওপারচর গ্রামের মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে সিয়াম (২১), একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মো. রিফাত (২২) এবং মো. শরিফ (২০)।
পুলিশের বক্তব্য
হোমনা থানার ওসি টমাস বড়ুয়া জানান, স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার রাতে রিফাত নামের একজনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সিয়াম ও শরিফকে শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর তিনজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ওসি আরও উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় জড়িত মামলার প্রধান আসামি আশিকুর রহমানসহ বাকিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।
ঘটনার বিবরণ
এর আগে বুধবার রাতে কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় যাত্রাপথে স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পৌর এলাকার কৃষি কলেজের অদূরে এ ঘটনা সংঘটিত হয়। বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী গৃহবধূ হোমনা থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। এতে আশিকুর রহমান নামের এক যুবককে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ও তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা অটোরিকশায় তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিক ও তার আরও ছয়-সাতজন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেলে এসে ওই দম্পতির পথরোধ করেন।
অভিযুক্ত যুবকরা দম্পতিসহ অটোরিকশা জোরপূর্বক একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে আশিক ও তার দুই সহযোগী ওই নারীকে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। অন্যরা তার স্বামী ও অটোর চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান।
এ সময় আশিক ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।



