রংপুরের গণঅভ্যুত্থানে নিহত আবু সাঈদের পরিবারের চূড়ান্ত শাস্তির দাবি
আবু সাঈদের পরিবারের চূড়ান্ত শাস্তির দাবি

রংপুরের গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের চূড়ান্ত শাস্তির দাবি

রংপুরের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে নিহত আবু সাঈদের পরিবার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন। গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় শুনতে এসে তার দুই ভাই রমজান আলী ও আবু হোসেন সাংবাদিকদের সামনে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আদালতে প্রবেশের সময় আবু হোসেনের বক্তব্য

আদালত কক্ষে প্রবেশের সময় আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, "এই মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে। আমরা চাই আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক। যারা এখনও পলাতক রয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক এবং সরকার যেন রায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।"

রমজান আলীর সন্তুষ্টি ও দাবি

আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী বলেন, "এখন পর্যন্ত আমরা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্ট। দেখা যাক রায় কী হয়। আমাদের পরিবার থেকে আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করছি।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবু সাঈদের পরিচয় ও ঘটনার পটভূমি

আবু সাঈদ ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্র বিক্ষোভের সময় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ড আন্দোলনকে তীব্রতর করে, যা পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণঅভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

পরিবারের আবেগ ও বিচার প্রক্রিয়া

আবু সাঈদের পরিবার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও তাদের মূল দাবি অপরাধীদের চূড়ান্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। তারা আশা প্রকাশ করেন যে সরকার রায়ের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে এবং পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মামলা শুধু একটি পরিবারের ন্যায়বিচার চাওয়ার গল্প নয়, বরং এটি রংপুরের গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে। আদালতের রায় কী হয় এবং তা কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটি এখন সকলের জন্য অপেক্ষার বিষয় হয়ে রয়েছে।