সাভারে অন্তঃসত্ত্বা নারী হত্যা: স্বামী পালিয়েছে, পুলিশের তদন্ত চলছে
সাভারে অন্তঃসত্ত্বা নারী হত্যা, স্বামী পালিয়েছে

সাভারে অন্তঃসত্ত্বা নারী হত্যা: স্বামী পালিয়েছে, পুলিশের তদন্ত চলছে

ঢাকার সাভারের আশুলিয়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুমানা আক্তার নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের গলায় আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন এবং হাতের কবজিতে কাটা দাগ পাওয়া গেছে, যা হত্যার ইঙ্গিত বহন করছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, তার স্বামী বিল্লাল তাকে হত্যা করার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।

ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের পদক্ষেপ

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ একটি কল পাওয়ার পর আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত রুমানা আক্তার রুমি তার স্বামী বিল্লালের সঙ্গে আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাদের বিয়ে হয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে, এবং অভিযুক্ত বিল্লালের বাড়ি রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলায়। রুমানা স্থানীয় একটি চুলের টুপি তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন, যা তার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ ছিল।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক কলহ একটি প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। আশুলিয়া থানার এসআই শফিউল আলম সোহাগের বক্তব্য অনুসারে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে, সুরতহাল সম্পন্ন করার পর লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযুক্তের অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বামী বিল্লালকে আটক করার জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তদন্ত শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, এবং পুলিশ নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে তদন্তকে এগিয়ে নিচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মর্মান্তিক ঘটনা সমাজে পারিবারিক সহিংসতার ভয়াবহতা এবং নারী নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। আশুলিয়া থানা পুলিশের তৎপরতা এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে স্থানীয় সম্প্রদায় সতর্ক নজর রাখছে, যাতে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।