শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বছরের পর বছর ধরে যে ধারাবাহিক ধর্ষণ চলছে রামিসা সেই ঢেউয়ের একটি শিকার মাত্র। এই ভঙ্গুর রাষ্ট্র ব্যবস্থা ধর্ষণের বিচার করতে পারছে না। এখানে আমাদের মায়েরা, বোনেরা, শিশুরা কেউ নিরাপদ নয়।
ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে ক্ষোভ
রবিবার (২৪ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম শহরের কলেজ মোড়ে আয়োজিত ‘ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশে’ এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা। ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে-সমাবেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য
কলেজ শিক্ষার্থী অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিকের সভাপতিত্বে এবং জান্নাতুল ফেরদৌস জুথির সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইয়ুথনেট গ্লোবালের জেলা সমন্বয়কারী মারজিয়া মেধা, হিজিবিজি সম্পাদক ও জুলাই আন্দোলনের সংগঠক রাজ্য জ্যোতি, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি রিদওয়ান পর্ব, নারীবাদী আন্দোলনকর্মী পারুল চিশতি, ছাত্র ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক প্রারদ্ধ নিলয়, সমাজকর্মী রোকুনুজ্জামান রুকু, সাংস্কৃতিকর্মী সুরজিৎ ধরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা।
বক্তাদের বক্তব্য
শহরের কলেজ মোড়ে জেলা সরকারি গ্রন্থাগারের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তারা ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে রামিসাসহ দেশে ধর্ষণের সকল ঘটনার বিচার স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সামাজিক সংগঠন হিজিবিজি’র সদস্য আফরা আনান প্রভা বলেন, “আজ সারা দেশ একটা ডেথ ভ্যালিতে পরিণত হয়েছে। যেখানে কোনও নারী-শিশু বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। নারী ও শিশুসহ সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
ইয়ুথনেট গ্লোবালের সমন্বয়কারী মারজিয়া মেধা বলেন, “ধর্ষক দোষ স্বীকারের পরেও ঠিক কী করতে বিচারের জন্য এক মাস সময় লাগবে তা আমরা জানি না। যেখানে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট আসতে সময় লাগবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সেখানে কেন এই এক মাস?”



