প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ জুন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। দেশটিতে দুই দিনের সফর শেষে তিনি সেখান থেকে চীনের উদ্দেশে রওনা দেবেন। চীনে চার দিনের সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মালয়েশিয়া সফর
সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ২১ জুন ঢাকা ত্যাগ করবেন। পরদিন সকালে মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানাবেন। সফরের অংশ হিসেবে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া তাদের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, মালয়েশিয়া সফরের দ্বিতীয় দিনে তারেক রহমান দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনে আলমারহুম সুলতান ইসকান্দারের বাসভবনে যাবেন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, মালয়েশিয়া সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ার বন্দর ব্যবস্থাপনাকারী বৃহত্তম গ্রুপ এমএমসি পোর্টসের চেয়ারম্যান, এয়ার এশিয়ার চেয়ারম্যান ও পেট্রোনাস গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।
চীন সফর
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফরে চীন পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২২ জুন। দেশটির ডালিয়ান শহরে পরদিন তার ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যালয়েস জুইঙ্গির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে। ওই দিনই ডালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন আ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক একটি সেশনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, চীন সফরের তৃতীয় দিনে ডালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউ চ্যাম্পিয়নস অব ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের চতুর্থ দিনে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রীর দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করার কথা রয়েছে।



