বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজের প্রত্যাশা রাষ্ট্রদূতের
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজের প্রত্যাশা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজের প্রত্যাশা রাষ্ট্রদূতের

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সাক্ষাতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঐতিহাসিক উপহার ও আলোচনার বিষয়বস্তু

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনস বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দুটি ঐতিহাসিক ছবি এবং হোয়াইট হাউসের একটি রেপ্লিকা তুলে দেন। প্রথম ছবিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং দ্বিতীয় ছবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র রয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই সাক্ষাতে উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংক্রান্ত বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা
  • জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়
  • প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা
  • উন্নয়ন সহযোগিতা
  • রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও রাষ্ট্রদূতের প্রতিক্রিয়া

এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনস তার পোস্টে উল্লেখ করেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সাক্ষাতটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।