যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গতকাল শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি ইরানের কাছে পাঠানো শান্তি প্রস্তাবের জবাবের অপেক্ষার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার।
বৈঠকের মূল আলোচনা
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয়ে কাতারের অংশীদারত্বের প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।’ কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ একই সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বৈঠকে কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
কাতারের ভূমিকা
কাতার দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনার জন্য কাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এই বৈঠকটি সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে এই বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র কাতারের সহযোগিতা চাচ্ছে।



