পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ভারতের গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে: সাইফুল হক
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ভারতের গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ভারতের গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে: সাইফুল হক

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ভারতের নির্বাচনি গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে। বুধবার (৬ মে) বিকালে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সংগঠকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাইফুল হক বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয় বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। চরম হিন্দুত্ববাদী বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করলে সেখানে মুসলমান সম্প্রদায়ের ভোটের অধিকার থেকে বাদ পড়া প্রায় এক কোটি মানুষ নানা ধরনের নিগ্রহের শিকার হতে পারে। এছাড়া তাদের একটি অংশকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অপতৎপরতার আশঙ্কাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বাংলাদেশ ও মুসলমান বিদ্বেষ প্রতিনিয়ত হিংসা ও ঘৃণা ছড়িয়ে চলেছে। উগ্র সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ বিজেপির প্রধান রাজনৈতিক পুঁজি হওয়ায় প্রতিনিয়ত সাম্প্রদায়িক উস্কানির আশঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিন দিকে বিজেপির সরকার থাকায় আগামী দিনে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকল্পিত উত্তেজনা ও অস্থিরতা সৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নির্বাচনি গণতন্ত্রের অন্তঃসারশূন্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে। একটি রাজ্যের দখল নেওয়ার জন্য যেভাবে এক কোটি মানুষকে ভোটের বাইরে রেখে পশ্চিমবঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, তা ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীন ও লজ্জাজনক। এই নির্বাচন ভারতের নির্বাচনি গণতন্ত্রকে বড় সংকটে ফেলবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর নবনির্বাচিত বিজেপি নেতাদের বাংলাদেশ ও মুসলমান বিদ্বেষী উত্তেজনাকর সাম্প্রদায়িক বক্তব্য পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ ভারতের সাথে সমমর্যাদার ভিত্তিতে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। সভায় পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, কেন্দ্রীয় সংগঠক বাবর চৌধুরী, সংগঠক ইমরান হোসেন সরকার, এম ডি ফিরোজ, মামুন উদ্দিন সৈকত ও নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।