সাবেক আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম ও সাবেক সচিব ড. এম মাহফুজুল হকের রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ বাতিল
সাবেক আইজিপি ও সচিবের রাষ্ট্রদূত মেয়াদ বাতিল

সাবেক আইজিপি ও সাবেক সচিবের রাষ্ট্রদূত পদে অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এবং সাবেক সচিব ড. এম মাহফুজুল হকের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের অবশিষ্ট মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

নিয়োগের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মো. ময়নুল ইসলাম পোল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ লাভ করেছিলেন। অন্যদিকে, ড. এম মাহফুজুল হককে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। সরকারের নতুন এই আদেশের ফলে তাদের উভয়েরই নিয়োগের অবশিষ্ট সময়কাল বাতিল বলে গণ্য হবে, যা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পূর্বের প্রত্যাহার আদেশ ও বর্তমান প্রজ্ঞাপন

এর আগে গত ৮ মার্চ তারিখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক নির্দেশনায় ময়নুল ইসলাম ও মাহফুজুল হকসহ মোট চারজন রাষ্ট্রদূতকে তাদের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন সেই আদেশের পর এবার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বাকি মেয়াদটুকুও আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই পদক্ষেপটি সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল এবং পূর্বের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগগুলো পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই দুই রাষ্ট্রদূতের নিয়োগের মেয়াদ বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো। এই সিদ্ধান্তটি সরকারের নীতিমালা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত একটি পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই প্রজ্ঞাপনটি রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ও কূটনৈতিক পদে সংস্কারের দিকে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। ভবিষ্যতে অনুরূপ পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।