ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বর্তমান অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মার্কিন সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটিতে মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা না গেলেও তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন বলে ইঙ্গিত রয়েছে।
মোজতবার অবস্থান ও যোগাযোগ
রুবিও বলেন, তার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার পর তিনি জনসমক্ষে আর উপস্থিত হননি। তিনি জানান, আমরা তাকে জনসমক্ষে দেখিনি। তবে এমন পরিস্থিতিতে, সিস্টেমের একাধিক নেতার পরিণতি বিবেচনায় নিয়ে বলা যায়, তাদের জন্য প্রকাশ্যে থাকা খুব একটা নিরাপদ নয়।
মার্কো রুবিও আরও বলেন, মোজতবা খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ মূলত লিখিত বার্তা এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হচ্ছে এবং তিনি কোনও না কোনও পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সমর্থন
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের ২৫ মে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের সঙ্গেও রুবিওর বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে মোজতবা খামেনি একটি গোপন বাঙ্কারে অবস্থান করছেন এবং একটি বিস্তৃত বার্তাবাহক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিতে বিলম্ব হওয়ার কারণ হলো মোজতবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সময় লাগছে। এতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বও বাঙ্কারে অবস্থান করছেন এবং একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
সিবিএসের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও মোজতবা খামেনির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত নন এবং তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কোনও উপায় নেই।



