ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বিদায়: দেশত্যাগের গুঞ্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বিদায় ও দেশত্যাগের গুঞ্জন

ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বিদায়: দেশত্যাগের গুঞ্জন ও পটভূমি

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় কয়েকটি গণমাধ্যমে তিনি দেশত্যাগ করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও ফয়েজ আহমেদের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে জানতে আজ রাতে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে খুদে বার্তায় তিনি লেখেন, '৯ ও ১০ তারিখে অফিস থেকে বিদায় নিয়েছি। ফরমালি (আনুষ্ঠানিকভাবে) মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।' দেশ ছেড়েছেন কি না এমন প্রশ্ন করলে ফয়েজ আহমেদ কোনো উত্তর দেননি, যা গুঞ্জনকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

অবশ্য ফয়েজ আহমেদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি আজ শনিবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশত্যাগ করেছেন। এই তথ্যটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও, এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা-কল্পনা চলছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফয়েজ আহমেদের নিয়োগ ও পদোন্নতির ইতিহাস

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবকে ওই বছর নভেম্বরে আইসিটি পলিসি অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হন তিনি, যা তার দ্রুত পদোন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায় ও নতুন সরকার গঠন

অন্তর্বর্তী সরকার নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে শিগগিরই বিদায় নেবে বলে জানা গেছে। নতুন সংসদের সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে আগামী মঙ্গলবার। বিএনপি একাই ২০৯ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করছে, যা রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্নীতির অভিযোগ ও ফয়েজ আহমেদের ভূমিকা

২০২৫ সালের জুলাইয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগেই একটি প্রকল্পে যন্ত্রপাতি কেনার তোড়জোড় করা এবং দুদককে প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগগুলো তার বিদায়ের পটভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের কর্মজীবনে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে, বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের প্রেক্ষাপটে। তার দেশত্যাগের গুঞ্জন এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আরও তদন্ত ও স্পষ্টতা প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।