সাত দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস, যারা ছিলেন ছুটির বাইরে
সাত দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আগামী সোমবার (১ জুন) খুলছে সরকারি ও বেসরকারি অফিস। ২৫ মে থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি আর একদিন ভোগ করবেন চাকরিজীবীরা। দীর্ঘ ছুটির পর সরকারি অফিসের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা, শেয়ারবাজারসহ সব প্রতিষ্ঠানই সোমবার থেকে স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।

ঈদুল আজহা উদযাপন ও ছুটির সময়সূচি

গত ২৮ মে দেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। এই উৎসব উপলক্ষে সরকার আগে থেকেই ৬ দিনের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও এই ছুটি ভোগ করেন।

ছুটির বিস্তারিত তালিকা

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি ছিল। ঈদের আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি কাটান চাকরিজীবীরা। তবে, ঈদের ছুটির আগে ২৩ মে (শনিবার) সপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করতে হয়েছিল কর্মীদের।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ও প্রজ্ঞাপন

আগের অভিজ্ঞতার আলোকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ৭ মে ছুটি আরও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। ওইদিন মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৫ মে ছুটি ঘোষণা এবং এর আগে ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর, গত ২৪ মে সাত দিন ছুটি ও দুদিন অফিস খোলা রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে টানা ৭ দিনের ছুটি পেয়ে যান চাকরিজীবীরা। টানা ছুটি শেষে আগামী সোমবার আবার নিয়মিত অফিস কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছুটির আওতার বাইরে যারা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীগণ ছুটির আওতার বাইরে ছিলেন। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিস ছুটির আওতার বাইরে ছিল।