ঈদুল আজহায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু হয়ে নির্বিঘ্নে ও স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। এই এক্সপ্রেসওয়ে ও সেতুতে কোনও যানজট নেই।
ঈদযাত্রায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে, কিন্তু ভোগান্তি নেই
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশপথ হিসেবে খ্যাত ওই মহাসড়কটিতে ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। তবে আধুনিক এই মহাসড়কে নেই দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনা। এতে বরাবরের মতোই স্বস্তিতে গন্তব্যে যাচ্ছেন দক্ষিণের যাত্রীরা।
ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে রবিবার রাত থেকেই নাড়ির টানে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। বরাবরের মতো এবারের ঈদ যাত্রায় এক্সপ্রেসওয়েতে দূরপাল্লার গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছোট যান ও মোটরসাইকেলের আধিক্য দেখা গেছে।
যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ও ভাড়া নিয়ে অভিযোগ
যাত্রীরা নির্বিঘ্নে কোনও ভোগান্তি ছাড়াই বাড়িতে ফিরছে বলে জানান। তবে তারা কিছু যানবাহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন।
ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থাপনা
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ওসি জিয়াউর হায়দার জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে স্বাভাবিক সময়ের মতো পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে নির্বিঘ্নে ঈদে বাড়ি ফিরছে মানুষ। পদ্মা সেতুতে পারাপার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে ৮টি বুথে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা দুটি অতিরিক্ত লেন সংযুক্ত করা হয়েছে।



