অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরও চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। মামলাটি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজকের সাক্ষ্যগ্রহণ ও পরবর্তী তারিখ
আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষীরা জবানবন্দি দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ১ জুলাই ধার্য করেন।
দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ মামলায় মোট সাক্ষী ২৮ জন, এর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে।’
এ আইনজীবী আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে।’
আজ যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন
মামলাটিতে আজ সাক্ষ্য দিয়েছেন নরসিংদীর কর কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী সোহেল মিয়া, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ-এর সাব–রেজিস্টার রিয়াজুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসেফ আয়নান বখস ও দুদকের উপপরিচালক সিরাজুল হক।
মামলার পটভূমি ও বর্তমান অবস্থা
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় গত বছরের ৩০ নভেম্বর অভিযোগপত্র দেয় দুদক।
গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ৩ মে অভিযোগ গঠন করে তাঁর অনুপস্থিতে মামলার বিচার শুরুর আদেশ হয়।
বেনজীরের গ্রেপ্তার ও প্রত্যর্পণ প্রচেষ্টা
ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে বেনজীরকে ১২ জুন গ্রেপ্তার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের পুলিশ। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার। এরই মধ্যে আমিরাতকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিবরণ
দুদকের করা এ মামলায় অভিযোগ, বেনজীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে।



