আমের মৌসুমে সাবধানতা
আমের মৌসুম চলছে। বাজারে হিমসাগর, ফজলিসহ নানা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। এই রসালো ফলটি যেমন উপকারী, তেমনি অতিরিক্ত খেলে হতে পারে নানা সমস্যা। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনে এক থেকে দুটির বেশি মাঝারি আকারের আম খাওয়া উচিত নয়।
আমের পুষ্টিগুণ ও ক্যালোরি
আমে ভিটামিন ‘সি’, ‘এ’ এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য ভালো। গরমে পানির জোগান দিতে এবং শর্করা থাকায় দ্রুত শক্তি জোগাতে সক্ষম এই ফল। পুষ্টিবিদ জুহি কাপুরের মতে, আমের সংখ্যা নয়, বরং তার আকার ও ক্যালোরির পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য ক্যালোরি হিসাব জরুরি। একটি ছোট আম বা বড় আমের একাংশে ক্যালোরি থাকে ১২৫-১৩০ কিলোক্যালোরি। মাঝারি থেকে বড় আমে ক্যালোরির মাত্রা ২৫০ থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। শর্করা ও ফাইবারের পরিমাণ আমের প্রজাতি ভেদে ভিন্ন হয়।
দিনে কতটি আম খাওয়া নিরাপদ?
পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, দিনে ঠিক কতটি আম খাওয়া যাবে তা ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও ক্যালোরির চাহিদার ওপর নির্ভর করে। তবে তিনি দিনে এক থেকে দুটির বেশি আম খাওয়ার পক্ষপাতী নন। বেশি আম খেলে ফ্রুক্টোজ পরিপাকে সমস্যা হতে পারে, যা হজমের গোলমাল, পেটব্যথা এমনকি পেট খারাপের কারণ হতে পারে। এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রাও আচমকা বেড়ে যেতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরামর্শ
ডায়াবেটিস রোগীরাও আম খেতে পারেন, তবে মাত্রা মেনে। অনন্যা ভৌমিক বলেন, স্ন্যাক হিসেবে একটি আম খাওয়া যেতে পারে, তবে তার বেশি নয়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।



