বিএনপি সমর্থককে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেখিয়ে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বিএনপি সমর্থককে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেখিয়ে মামলা

বিএনপি সমর্থককে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেখিয়ে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

রাজনৈতিক বৈষম্যের এক মর্মান্তিক ঘটনায় বিএনপির এক সমর্থককে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হিসেবে দেখিয়ে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেলিম উদ্দিন পাটোয়ারী নামের এই ব্যক্তি গত ১০ মাস ধরে কারাগারে বন্দী রয়েছেন, তার মুক্তির জন্য পরিবার মন্ত্রীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

মামলার বিস্তারিত ও গ্রেফতার

শাহবাগ থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়েরকৃত এক হত্যা মামলায় সেলিম উদ্দিন পাটোয়ারীকে আসামি করা হয়েছে। গত জুন মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ওই মামলায় জামিন পাওয়ার পর আরেকটি মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। শুরুতে তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন, বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে আটক রয়েছেন।

পরিবারের অভিযোগ ও দাবি

সেলিমের ভাই ইকবাল হোসেন গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে একটি অভিযোগ পেশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাজধানীর বাড্ডায় সেলিমের পাঁচতলা একটি বাড়ি আছে এবং এই বাড়ি দখল করার উদ্দেশ্যে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ইকবাল হোসেন বলেন, "আমার ভাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, কিন্তু তাকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শাহবাগ থানার সাংগঠনিক সম্পাদক দেখিয়ে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বিনা অপরাধে দীর্ঘদিন ধরে জেল খাটছেন।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও রাজনৈতিক প্রভাব

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এসএন নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় অনেকগুলো মামলায় নিরপরাধ মানুষকে ফাঁসানো হয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, "এসব মামলায় আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট সতর্ক আছি, তবে মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের ও নিরপরাধ ব্যক্তিদের কারাগারে আটক রাখার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সেলিম উদ্দিন পাটোয়ারীর মুক্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন মানবাধিকার সংগঠনগুলো।