মিরপুরে ঈদের নামাজ আদায় করলেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
মিরপুরে ঈদের নামাজে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

মিরপুরে ঈদের নামাজ আদায় করলেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সকাল ৮টায় আয়োজিত এই ঈদ জামাতে তিনি অংশগ্রহণ করেন। তার উপস্থিতির কারণে এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল, যা অনুষ্ঠানটিকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।

নামাজ ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু

ঈদের নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়, যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়। এরপর ডা. শফিকুর রহমান দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাত শেষে তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই সময় তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন, যা অনুষ্ঠানটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচি

নামাজ শেষে ডা. শফিকুর রহমান তার সরকারি বাসভবনে ফিরে যান, যা রাজধানী ঢাকার ২৯ মিন্টো রোডে অবস্থিত। সেখানে তিনি বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এরপর বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দেখা করেন, যেখানে ঈদের আনন্দ ও সামাজিক সংহতি প্রকাশ পায়। এই কর্মসূচিগুলো তার জনসংযোগ ও নেতৃত্বের দিকটি তুলে ধরে, যা রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঈদ উদযাপনটি শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়, বরং এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক সংলাপের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ডা. শফিকুর রহমানের অংশগ্রহণে এলাকার মুসল্লিরা উৎসাহিত হন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুষ্ঠানটিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এই উদ্যোগটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।